সমকামি বিশয়ের ওয়পরর দুটি কথা।

সমকামি বিশয়ের ওয়পরর দুটি কথা। সমকামি হওয়া কোন রোগ বা ব্যাধি নয়।  সমকামি ছেলে মেয়েরাও আর দশজনের মত মানুষ এবং স্বাভাবিক। আপনি যদি সমকামি হন তাহলে আপনাকে শুভেচ্চা, কারণ আপণি খুবি ভাগ্যবান।

সমকামিরা সাধারনত খুবি চালাক প্রক্রিতির হয় এবং তাদের অনেক রকম বিশেষ বিশেষ প্রতিভা বা গুনাবলি থেকে থাকে। এরা বেশিরভাগেই নিজেদের ভবিশ্ব্ত নিজেরাই নিরধারণ করে থাকে, এবং  জীবনে খুবি প্রতিশটিতশীল হয়ে থাকে। আর আপনি যদি সমকামি না হয়ে থাকেন, তাহলে এদের বুঝতে চেষ্টা করেন। কারণ এদের সুন্দর আচার আচরণ এবং প্রতিভায় আপণি নিজেও প্রভাবিত হতে পারেন। যা নিয়ে আসতে পারে বৈচিত্রময় পরিবরতন আপনার নিজের জিবনেও।

একটা সময় ছিলো যখন শিক্ষা ও দিক্ষার অভাবে মানুষ সমকামিদের বুজতে পারেনি। এটা একটা রোগ ভেবে পৈচাশিক আচরণ করেছে সমকামিদের সাথে। কিন্তু বিংশ শতাব্দিতে এসে, মানুষ বিজ্ঞান এবং প্রজুগত্বির সাহাজ্যে  অনেক পথ এগিয়ে এসেছে। বুজতে শিখেছে সমকামি হওয়াটা আসলে দোশের নয়, এটা প্রক্রিতিরই একটা দান।  শিক্ষিত্ব সমাজের প্রায় সব দেশগুলোতেই, সমকামিদের, দেশের অন্ন্যান্য নাগরিকদের মত সমান সমান অধিকার দেওয়া হচ্ছে।

ইতিহাসের পাতা খুজলে দেখা যায়, বিশ্বের সব বিখ্যাত্ব খ্যাত্যিমান ব্যাক্তিদের প্রায় অনেকেই ছিলেন সমকামি।  শেইক্সপ্রিওর, অস্কারওয়াইল্ড থেকে শুরু করে অনেক রয়েল ফ্যেমিলির নারি পুরুশদের এবং বরতমান কালের অনেক খ্যাতমান ব্যাক্তিদের অনেকেই  সমকামি বা কোন না কোন ভাবে সমাকামিওতার সাথে  জরিত আছেন এবং যোগাযোগ রয়েছে বলে দেখা যায়।

উন্নত দেশগুলোর মত বাংলাদেশ যদিও এখনও সমকামিদের সব সযোগ সুবিধা দিতে পারছেনা, তবে অনেক আগে থেকেই সরকার সমকামিদের সাহায্যে হাত বারিয়েছে। অনেকগুলো শহরেই খুলে দিয়েছে সমকামিদের জন্য (মধুমিথা)হেলথ সেন্টার। যেখানে গেলে পাওয়া যায় নানা রকম যৌন রোগের চিকিতশা, এইচআইভি ও এসটিআই প্রতিরোধ বিষয়ক তথ্য ও শঠিক পরামরশ, কাউন্সিলিং, বিনোদন এবং অন্নান্য সমকামিদের সাথে মেলা মেশার সুযোগ। এটা ইউকের নাজ ফাউন্ডেশানের ১৯৯৬ সালের একটা উদ্দেগেরই সাফল্যতা।

ধীরে ধীরে সমকামিওতা ব্যাপারটি খুবই স্বাবাবিকভাবে নেওয়া হবে এবং টাব্বু বলে মনে করা হবেনা তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে তার জন্ন্য আমাদের আরও লরতে হবে। কিন্তু তারও আগে আমাদের নিজেদেরকে নিজেদেরকাছে স্বিকার করে বা মেনে নিতে হবে যে আমরা সমকামি। মহাত্মা গান্দি যেমন বলেছেন – “প্রিথিবিতে যদি পরিবরতন আনতে চাও, তাহলে প্রথমে সেই পরিবরতনটা তুমি  নিজের মধ্যে আন”।

taken from bengayliz.com

Advertisements

Leave a comment

Filed under Analysis of Homosexual Issues

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s